শনিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২২

শব্দদূষণ প্রতিরোধে একাই লড়ছেন চট্টগ্রামের সুজন বড়ুয়া

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম
|  ১৯ আগস্ট ২০২২, ০১:১৯

শব্দদূষণ বলতে মানুষের বা কোনো প্রাণীর শ্রুতিসীমা অতিক্রমকারী কোনো শব্দসৃষ্টির কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বোঝায়। গাড়ির হর্ন, কলকারখানা, মাইকের অসতর্ক ব্যবহার, নির্মাণকাজ থেকে দূষণ সৃষ্টিকারী তীব্র শব্দের উৎপত্তি হয়। পরিবেশের কোলাহল থেকেও মারাত্মক শব্দদূষণের সৃষ্টি হতে পারে। কোলাহল হলো অনাকাক্সিক্ষত শব্দ যা বিরক্তির উদ্রেক করে এবং শোনার সময় তা অসংহত ও উচ্চ মনে হয়। উচ্চকিত কোলাহলের ফলে মানুষের ওপর অনুভূতিগত, শারীরিক অথবা মানসিক প্রভাব পড়তে পারে। অল্প মাত্রার সহনীয় শব্দ শরীর ও মনের জন্য ক্ষতিকারক নয়। তবে বিভিন্ন উৎস থেকে উৎপন্ন অতি মাত্রায় জোরালো ও অপ্রয়োজনীয় শব্দ যখন মানুষের সহনশীলতার মাত্রা ছাড়িয়ে বিরক্তি ঘটায় এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে তখন তাকে শব্দদূষণ বলে। শব্দদূষণ সমগ্র বিশ্বেই এক গুরুতর সমস্যা। মানবসৃষ্ট যেকোনো উচ্চ শব্দ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

শব্দ দূষণ প্রতিরোধে ও নিয়ন্ত্রণে 'সেভ গার্লস ওয়ার্ল্ডওয়াইড' ও 'বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস-বিএইচআরএফ' সংগঠনের উদ্যোগে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে মাসব্যাপী জনসচেতনতা বিষয়ক কর্মসূচি পালিত হয়।

বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্নস্থানে কর্মসূচি পালিত হয়।

সেভ গার্লস ওয়ার্ল্ডওয়াইড এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সুজন বড়ুয়া বলেন, 'গত ১৩ই আগষ্ট আমাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে শব্দ দূষণ প্রতিরোধে Bangladesh Human Rights Foundation এর পক্ষে Director Organizing ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী জনাব এ. এম. জিয়া হাবিব আহ্সান সাহেব একযোগে কাজ করার আশ্বাস দিয়ে জানান, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ১৮ই আগস্ট সকালে চট্টগ্রাম আদালত ভবন থেকে পদ্মা সেতু হয়ে  টুংগীপাড়া অভিমূখী যাত্রা শুরু করে হাইড্রলিক হর্ণ নিষিদ্ধের জন্যে লিফলেট স্টিকার বিতরণের মাধ্যমে সচেতনতা কর্মসূচি পালন করা হবে।'

এ সময় চট্টগ্রাম আইনজীবী ভবনে বিএইচআরএফ-এর অফিসে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন (সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি, চট্টগ্রাম বার এসোসিয়েশন), মানবাধিকার কর্মী রিদওয়ান করিম নাবিল, এরশাদ আলম, হাসান বান্নাহ ও অভিষেক বড়ুয়া।

/ডিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত